একটি রুম ও আমার জীবনের ১ঘন্টা ৪০মিনিট (অ্যাপ্রোক্সিমেটলি)
শুরুতে আমার জানা একটি টিডবিড দিয়ে শুরু করি। ইন্সুরেন্স ও সার বিক্রেতা হ্যারোল্ড পি. ওয়ারেন একাডেমি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত স্টারলিং সিলিফ্যান্টের সাথে একটি বাজি ধরেছিলেন যে, যে কেউই সিনেমা লিখে বানাতেও পারে। এভাবে মুক্তি পায় ১৯৬৬ সালে মানোসঃ দি হ্যান্ডস অফ ফেইট ; বাকিটা ইতিহাস। বলা বাহুল্য, ওয়ারেন বাজিতে জিতেছিলেন কারণ তিনি ফিল্মটা বানিয়ে শেষ করতে পেরেছিলেন। টমি উইসও এরকম কোন বেট করেছেন বলে জানা নেই - তবে 'দি রুম' এখন পরিচিত 'সিটিজেন কেইন অফ ব্যাড মুভিস' হিসেবে, আবার অন্যতম কাল্ট ক্লাসিক হিসেবে। হ্যা, লিসার মা, আমিও এই প্রশ্ন অনেকবার করেছি... গল্প হলো এরকমঃ সফল ব্যাঙ্কার এবং চাকরস্বামী (চাকর যে স্বামী) জনির সাথে লিসার কথা পাকাপাকি। এরপর লিসা ঠিক করে সে জনিকে ভালোবাসেনা। ট্র্যাজেডি আনফোল্ডস। যদিও ফিল্মটি (মেলো)ড্রামা কিন্তু ক্রিটিকরা স্বাচ্ছন্দ্যেই একে কমেডি হিসেবে রিভিউ দেন। কিভাবে ফোনের অপর প্রান্তের কথা টেপ রেকর্ডে ধরা পড়ে বা সেফটি ক্যাচ ছাড়া গুলি ফায়ার হয় ইত্যাদি টেকনিক্যালিটিতে গেলাম না। ১৫ সেকেন্ডে ফুল কিনে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপার, বা মার্কের সাথে...