Posts

Showing posts with the label indie

Dig Two Graves (2014)

Image
হান্টার অ্যাডামসের গল্প এবং ডিরেকশন, আমার কাছে নতুন, যেমন নতুন সুইডিশ সিনেমাটোগ্রাফার এরিক ম্যাডিসনের কাজও। সেই হিসেবে পুরষ্কারজয়ী ' ডিগ টু গ্রেইভস ' সিনেমাটি আমার জন্য পরিচিতিপর্ব বলা চলে। মূলতঃ হরর ক্যাটেগরিতে নমিনেশন পেলেও একে থ্রিলার বলাটাই ভালো যদিও এর মধ্যে কিছু হরর ইলিমেন্ট আছে। বিশেষতঃ জিপ্‌সি, ব্ল্যাক ম্যাজিক কিছু কিছু উপাদান আছে, যদিও সিনেমার দৈর্ঘ্যের তুলনায় সেগুলোর উপস্থিতি কম। কিন্তু সিনেমার বর্ণ্নায় এতটুকু দেখে মনে হওয়াই স্বাভাবিক এটি একই ধরনের ফিল্মগুলোর (১৯৭৩ এর ' দি উইকারম্যান   '   এর কথা মনে আসছে) মত এতে ন্যুডিটি, স্ল্যাশার থিম থাকবে কিন্তু এগুলো নেই বললেই চলে। যদিও একধরনের শিরশিরে ভাব আছে কিছুটা। তথাপি, হরর থিম। এছাড়াও, সাউথার্ন ইলিনয়ের প্রকৃতি-আবৃত সেটিং, সেট ডিসাইন এবং ম্যাডিসনের ফটোগ্রাফিতে সিনেমাটিতে সাউথার্ন গথিক ভাবটা প্রকটভাবে চোখে পড়ে। যদিও অনেক চরিত্রের সাউথার্ন অ্যাক্সেন্ট এবং সিনেমাটির কিছু 'কামিং-অফ-এইজ' থিমের জন্য একে অনেকে স্টিফেন কিং এর ' দি বডি  ' এবং সেই সূত্রে ' স্ট্যান্ড বাই মি  ' (১৯৮৬) এর সাথে তুল...

জীবন যখন এক্সিস্টেনশিয়াল হরর

Image
টাইটেল দিয়ে মিসইনফর্মেশন দিয়ে ফেলবো - তাই আগেভাগেই বলে রাখা ভালো, বর্তমানের অন্যতম সফল ইন্ডি ফিল্মমেকার ডেভিড লোয়ারি'র A Ghost Story (২০১৭) ভূতের গল্প নয় - এবং এরকম মার্কেটিং ও করা হয়নি বলেই আশা লোয়ারির, যদিও তার মতে, "আমি শিওর কোন একটা থিয়েটারে কেউ কেউ রেগেমেগে চিন্তা করছে, শুধু শুধু ১৫ ডলার খরচ করলাম হরর দেখবো মনে করে।"    গল্পের অনুপ্রেরণাটাও সরলঃ লোয়ারির স্ত্রী চাচ্ছিলের তারা লস এঞ্জেলেসে স্থানান্তর করবেন, কিন্তু তাদের টেক্সাসের বাসাটির প্রতি এক ধরনের মায়া জন্মে গিয়েছিল লোয়ারির। সেই সময়ে তিনি এক ধরনের এক্সিস্টেনশিয়াল ডিপ্রেশনের মধ্যেও ছিলেন, বলেন তিনি। এরপর রুনি মারা আর কেসি অ্যাফ্লেককে নিয়ে টেক্সাসে গিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে শুট করে ফেলেন 'আ গোস্ট স্টোরি' । ফিল্মমেকার নিজে একজন এথিইস্ট, পরকালে বিশ্বাস নেই তার, বলেছেন তিনি - এসময় পৃথিবীতে নিজের সৃষ্টি ও অস্তিত্বের অস্থায়িত্ব ও তুচ্ছতার চিন্তা প্লাবিত করে সবাইকেই, বিশেষ করে আর্টিস্ট ও শিল্পস্রষ্টাদের। এই অনুভূতিকে তুলে ধরে এনেছেন ফিল্মমেকার অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে। একাডেমিক রেশিওর ১.৩৩ঃ১ ফ্রেমে আবদ্ধ, এর কোণাগ...

It Comes At Night: মৃত্যুর মুখে মানবতা

Image
পৃথিবীর শেষ ব্যাপারটা কেমন হবে? অ্যাপোক্যালিপ্স বলতে এখনও মানবসমাজেরই শেষ বোঝানো হয় - কিন্তু তখন কেমন হতে পারে? এই প্রশ্ন নিয়ে আর্টিস্টদের চারণার শেষ নেই। সেটা কেমন হতে পারে? তখন মানুষ কেমন হতে পারে? Mad Max Fury Road (২০১৫) এর তেলের উপর ভিত্তি করে ক্ষমতা ব্যবস্থা, The Road (২০০৯) এর জীবনের মৌলিক উপাদান খুঁজে বেঁচে থাকার সংগ্রাম, না 28 Days Later (২০০১) এর জম্বি থেকে পালিয়ে থাকা? তখন মানুষের সাইকোলজিক্যাল অবস্থা কেমন হতে পারে?  Krisha (২০১৫) খ্যাত লেখক-ডিরেক্টর ট্রেই এডওয়ার্ড শুলজ তার দ্বিতীয় ফিচার It Comes At Night (২০১৭) এর জন্য অনুপ্রেরণা নেন কার্পেন্টারের  The Thing , কুব্রিকের  The Shining আর রোমেরোর  Night of The Living Dead এর মত হরর ক্লাসিকগুলো থেকে - যদিও তিনি এই ফিল্মটিকে হরর ফিল্ম হিসেবে দেখেন না। এইসব ক্লাসিকগুলোতে বিপদের মুখে কিভাবে ভয় থেকে অবিশ্বাস ও প্যারানয়া মানুষকে পরিবর্তন করে ফেলে - এই বিষয়টি তাকে আকর্ষিত করে, বলেছেন শুলজ। মানুষের নিজের ক্ষমতা ধরে রাখার যে চেষ্টা, ভূত/এলিয়েন বা অভূতপূর্ব বিপদের থেকে নিজেকে বা নিজের পরিবারকে শক্তিশালী প্র...

The Taqwacores: পাঙ্ক, ইসলাম, অ্যাফিলিয়েশন, কন্ট্রাডিকশন

Image
মাইকেল মুহাম্মাদ নাইট ও তাকওয়া-কোর টার্ম দুইটার সাথেই আমার পরিচয় হঠাৎ করেঃ তবে, আমি তার বইটা পড়িনি, যেটি থেকে তৈরি সিমিলারলি টাইটেল্ড The Taqwacores (২০১০) নাইট নিজে আমেরিকান মুসলিম তরুণদের মধ্যে অনেক জনপ্রিয় তার আলোচনার জন্য; আর তার শুরুটা হয়েছিল তার ২০০৩ সালের বইটি থেকে। তিনি নিজে ইসলাম গ্রহণ করেন ১৬ বছর বয়সে - এরপর ইসলাম নিয়ে আরো বেশি শিক্ষার্জন করতে তিনি যান পাকিস্তানে। তরুণ বয়সে নাইট পাঙ্করক সীনের সাথে অনেক যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। তার এই দুইটি বিশ্বাসের মধ্যে কন্ট্রাডিক্‌শনের মধ্যে সমতা বা 'কাথার্সিস'-এর উদ্দেশ্যে তার এই লেখা। তবে লেখার সময়ে তিনি তার বিশ্বাস নিয়ে সন্দীহান ছিলেন - এবং তার লেখাটি মূলতঃ তার ইসলামে নিজের ইন্টারপ্রেটেশন নিয়ে অভিযান (যা অনেকটা সূফিবাদ থেকে অনুপ্রাণিত)। ফিল্মটি তৈরি হয়েছে প্রায় ৭ বছর পরে, যেই কারণে ধারণা করা যায় যে তার পরবর্তী বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজের সাথে কিছুটা সমতায় এসেছেন - যেই কারণে এই সিনেমাটিতে অনেক প্রশ্নের সাথে অনেক উত্তরও পাওয়া যায়, যা, বলা বাহুল্য, নাইটের নিজস্ব মতামত, কিন্তু তারপরও বলা যায় অনেকগুলো ইন্টেরেস্টিং প্রশ্ন ...

মফস্বল স্বপ্ন ও একটি লাঞ্চবক্সের গল্প

Image
[minor spoilers] সাবার্বান, মফস্বল, মধ্যবিত্ত যেটাই বলা হোক না কেন - এই ধরণের জীবনের ব্যাপারগুলোকে সেলুলয়েডে বন্দি হতে দেখার অনুভূতিটাই অন্য। না হাই-পলিশড কাচের তৈরি সেটিং, না নাইট্রো ফুয়েল্ড ১৭০-এমপিএইছ, বা জটিল লজিকের সিনেমা (যদিও জটিল লজিকের সিনেমাগুলোই আমার লিস্টে প্রথমদিকে থাকে)। যেই কারণে হুমায়ুন আহমেদের বই পড়তে, বা ওং কার-ওয়াই এর সিনেমা দেখতে ভালো লাগে। পশ্চিমা 'সাবার্ব' থেকে এশিয়ান 'মফস্বল' এর পার্থক্য এভাবেও চোখে পড়ে। যাইহোক, ভালো নোট দিয়ে The Lunchbox (2013) এর রিভিউ শুরু করলাম।    হিন্দি সিনেমা কম দেখার দলে আমি, এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা - সবার মত 'থ্রি ইডিওটস'ও অলসতার ছলে অনেকদিন দেখা পিছিয়ে রেখেছিলাম। তারপর ইন্ডি ধাচের 'দি লাঞ্চবক্স'এর নাম দেখে আমিও উৎসুক হলাম। রিতেশ বাত্রার ডেব্যু ফিচার ফিল্মঃ বাফটা, কান-এ জয়জয়কার।   গল্পটা সিম্পলঃ ইলা নামের এক মধ্যবিত্ত গৃহিণী তার চাকরিজীবী স্বামীর জন্য খাওয়া রান্না করে পাঠায় লাঞ্চবক্স বা 'ডিব্বা' ডেলিভারি সার্ভিসের মাধ্যমেঃ গোলমাল বাঁধে যখন ঠিকানা অদলবদল হয়ে যায়; এভাবে তৈরি হয় ...

একটি রুম ও আমার জীবনের ১ঘন্টা ৪০মিনিট (অ্যাপ্রোক্সিমেটলি)

Image
শুরুতে আমার জানা একটি টিডবিড দিয়ে শুরু করি। ইন্সুরেন্স ও সার বিক্রেতা হ্যারোল্ড পি. ওয়ারেন একাডেমি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত স্টারলিং সিলিফ্যান্টের সাথে একটি বাজি ধরেছিলেন যে, যে কেউই সিনেমা লিখে বানাতেও পারে। এভাবে মুক্তি পায় ১৯৬৬ সালে মানোসঃ দি হ্যান্ডস অফ ফেইট ; বাকিটা ইতিহাস। বলা বাহুল্য, ওয়ারেন বাজিতে জিতেছিলেন কারণ তিনি ফিল্মটা বানিয়ে শেষ করতে পেরেছিলেন। টমি উইসও এরকম কোন বেট করেছেন বলে জানা নেই - তবে 'দি রুম' এখন পরিচিত 'সিটিজেন কেইন অফ ব্যাড মুভিস' হিসেবে, আবার অন্যতম কাল্ট ক্লাসিক হিসেবে।   হ্যা, লিসার মা, আমিও এই প্রশ্ন অনেকবার করেছি... গল্প হলো এরকমঃ সফল ব্যাঙ্কার এবং চাকরস্বামী (চাকর যে স্বামী) জনির সাথে লিসার কথা পাকাপাকি। এরপর লিসা ঠিক করে সে জনিকে ভালোবাসেনা। ট্র্যাজেডি আনফোল্ডস।  যদিও ফিল্মটি (মেলো)ড্রামা কিন্তু ক্রিটিকরা স্বাচ্ছন্দ্যেই একে কমেডি হিসেবে রিভিউ দেন। কিভাবে ফোনের অপর প্রান্তের কথা টেপ রেকর্ডে ধরা পড়ে বা সেফটি ক্যাচ ছাড়া গুলি ফায়ার হয় ইত্যাদি টেকনিক্যালিটিতে গেলাম না। ১৫ সেকেন্ডে ফুল কিনে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপার, বা মার্কের সাথে...

অ্যাবসার্ডিসমঃ সুইসাইড ও ভালোবাসা

Image
[ minor spoilers ] ফিলসফিতে অ্যাবসার্ডিস্ম বলে একটা শাখা আছে - বলা যায় এক্সিস্টেনশিয়ালিস্ম লাইনের দর্শনে। নিহিলিজম থেকে প্রশ্ন আসে যে পৃথিবীর কোন মিনিং নেই এবং তাহলে স্পিশিস হিসেবে আমাদের অস্তিত্বের কোন অর্থ নেই? এর উত্তর হিসেবে সার্ত্রে একটা মত দেন যা এক্সিস্টেনশিয়ালিস্ম নামে পরিচিত - তার মতে পৃথিবীর সৃষ্টিগতভাবে কোন অর্থ নেই সেটি ছাড়া, যা আমরা দিয়ে থাকিঃ একটি চেয়ার হচ্ছে চেয়ার, বসার জন্য কারণ আমরা তার রোল ঠিক করেছি সেভাবেই...যাইহোক তিনি বলে থাকেন - মানুষ হিসেবে আমাদের জীবনের অর্থ তখনই তৈরি হয় যখন আমরা সেটা নিজেরা যাচাই করে নেই।  এই যে বের করে নেওয়ার প্রক্রিয়াটি, এটি কিন্তু শেষ বিচারের হিসেবে শূন্যঃ একটি চেয়ার, চেয়ার হলেও পৃথিবী ঘুরবে, না হলেও। কিন্তু কাঠের টুকরাটিকে চেয়ারের রোল দেয়া হয় বলে এটি কাঠের টুকরোর চেয়ে বেশি কিছু। আমরা কাঠের টুকরো নই যেহেতু তাই আমাদের রোল আমাদের নিজেদেরই বের করতে হবে। যদিও সেটিও শেষ বিচারে শূন্যইঃ তাহলে এই ''মিনিং'' খোঁজ করার ব্যাপারটা 'অ্যাবসার্ড', বা...অদ্ভূত না? কিন্তু তারপরও আমরা খুঁজে যাই - আর এটিই অ্যাবসার্ডিস্ম।        ...

The Eyes of My Mother: নারী, প্রকৃতি, বিচ্ছিন্নতা

Image
[ major spoilers ] আর্টের একটি জটিল আলোচনা হচ্ছে বিচ্ছিন্নতা, বা আইসোলেশন। কখনো বিচ্ছিন্নতায় যেতে বাধ্য করা হয় সমাজ দ্বারা, কখনো কেউ একাকীত্বের সাথে খাপ খাইয়ে নেয় যে সামাজিকতা হিস্টিরিয়া তৈরি করতে পারে। আইসোলেশন, বা লোনলিনেস ব্যাপারটা প্রথমে খেয়াল করেছিলেন ফ্রয়েড, যদিও সেটি তিনি সরাসরি টার্ম করেননি। বিচ্ছিন্নতাকে তিনি তুলে ধরেছিলেন অ্যাংক্সাইটির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার জন্য একটি সেলফ-ডিফেন্স মেকানিজম হিসেবে। তবে সেখানে তার টেস্ট সাব্জেক্টটি মানুষের সঙ্গ পাওয়ার মাধ্যমে অন্ধকারের প্রতি তার ভয় কমে যাওয়ার কথা বলেছিল। তাহলে কি একাকীত্বের বিপরীত শুধু মানুষের সঙ্গ?  উল্লেখিত টেস্ট সাব্জেক্টটি 'ম্যাডোনা অ্যান্ড চাইল্ড' এর একটি পেইন্টিং থেকে সে যে আনন্দ পেয়েছিল, তার বর্ণনা থেকে প্রখ্যাত সাইকোঅ্যানালিস্ট ক্লাইন এই সিদ্ধান্তে আসেন যে, 'একাকীত্ব' হলো মা ও সন্তানের আদর্শ ভালোবাসার সম্পর্কটির প্রতি আকাঙ্ক্ষা । বার্গম্যান বলেন যে, আদর্শ ভালোবাসার মূল বিষয় হলো শিশুকালের সেই হারানো ভালোবাসাকে ফিরে পাওয়া। তাহলে একাকীত্বের বিপরীত কি ভালোবাসা, বা আরেকটু স্পেসিফিক্যালি, মায়ের ভাল...

ঝড়ে পড়ে যাওয়া পাখি আর মাইক্রোস্টোরি সমস্যা

Image
[ spoilers ] কোনরকম কষ্টে মষ্টে কিশোর বয়সটা পার করতে পারলেই হলো; কেউ বলবে সেটা ছিলো তাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়, কেউ বলবে কৈশোরকালের নানা অপাওয়ার কথা। তবে যাইহোক, সেই সময়টার রহস্যগুলোই তাড়া করে ফিরে আমাদের ইনার-টিনেজারকে। এরকম থিমটাই মূল উপজীব্য লরা সাসিশ্‌কে এর বই White Bird in a Blizzard - এ। যার উপর ভিত্তি করে গ্রেগ আরাকির ২০১৪ এর ফিল্ম, একই নামে।  ইন্ডি ফিল্মমেকার হিসেবে আরাকি এক কথায় অসামান্য। তার ফিল্মে নিহিলিজম, অ্যাপেথি, সেক্‌শুয়ালিটি এরকম ব্যাপারগুলো তিনি খুব সামনাসামনি ভাবে তুলে ধরেন। এক কথায় বোল্ড। মিলেনিয়াল টিনেজ ব্যাপারগুলো এজন্য তার চেয়ে ভালো করে তুলে ধরার মতন মানুষ কমই আছে, বলা যায়। তার ফিল্মের কালার গ্রেডিং থেকে শুরু করে ক্যারেক্টার শট গুলাতে একধরনের রক-অ্যান্ড-রোল, ফ্যান্টাসি ভাব ফুঁটে উঠে থাকতে দেখা যায়।  এই থিমগুলো হোয়াইট বার্ড-এ ও কন্টিনিউড। তবে তার অন্যান্য ফিল্মগুলো থেকে এটা কিছুটা ভিন্ন। আপাতদৃষ্ট শর্ট টার্ম কাজ-কারবার ছাড়াও, সর্বসাপেক্ষে আরেকটা বড় থিম নিয়ে আলোচনা রয়েছে এই ফিল্মটিতে। 'আম্ব্রেলা আইডিয়া' ব্যাপারটা হলো এখানে এরকমঃ ক্যাট কনা...